
বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। গুগলের ভিও (Veo) বা ক্লিং (Kling) এআইয়ের মতো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে শুধু একটি লিখিত নির্দেশনার ভিত্তিতেই তৈরি করা যাচ্ছে কয়েক মিনিটের ভিডিও। এই প্রযুক্তির সহজলভ্যতার ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যদিও কনটেন্টের উৎস শনাক্ত করতে সি২পিএ (C2PA) কনটেন্ট ক্রেডেনশিয়ালস বা গুগলের সিনথআইডির মতো প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে, তবুও এআই ভিডিও শনাক্তকরণের উপায়গুলো এখনো পুরোপুরি নির্ভুল নয়। তাই কোনো ভিডিও শেয়ার করার আগে ব্যবহারকারীকে নিজেই কিছু সতর্কতামূলক বিষয়ের ওপর নজর দিতে হবে:
১. শারীরিক অভিব্যক্তি ও নড়াচড়া: এআই ভিডিওতে মানুষের চোখের পলক ফেলার গতি অস্বাভাবিক হতে পারে। এছাড়া মুখের অভিব্যক্তির সঙ্গে আবেগের অমিল থাকা বা হাঁটাচলার ধরনে অস্বাভাবিক মসৃণতা এআই ভিডিওর অন্যতম লক্ষণ।
২. শব্দ ও ঠোঁটের নড়াচড়া: কথা বলার সময় ঠোঁটের নড়াচড়া এবং শব্দের মধ্যে অমিল থাকলে তা সন্দেহজনক হতে পারে, যদিও কণ্ঠস্বর নকল করার প্রযুক্তিও এখন অনেক উন্নত।
৩. আলো ও ছায়ার অসঙ্গতি: বাস্তব পদার্থবিদ্যার নিয়ম মেনে আলো ও ছায়ার ব্যবহার করা এআইয়ের জন্য এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তাই ভিডিওর কোনো বস্তুর ছায়া ভুল দিকে পড়ছে কি না বা প্রতিফলনে অসামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খেয়াল করুন।
৪. প্ল্যাটফর্ম লেবেল ও অ্যাকাউন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা: ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের দেওয়া ‘এআই ইনফো’ বা ‘সিনথেটিক কনটেন্ট’ লেবেলগুলো যাচাই করুন। পাশাপাশি যে অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে, সেটির পরিচিতি, সক্রিয়তার সময়কাল এবং পোস্টের ধরন বিশ্লেষণ করে নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করুন।
মনে রাখবেন, সব এআই ভিডিওতে লেবেল থাকে না। তাই কোনো ভিডিওর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ থাকলে মূল ঘটনার প্রেক্ষাপট ও নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
প্রযুক্তিমহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ’। গত ৩০ আগস্ট, রবিবার ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেক
প্রযুক্তিমহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে যাত্রা শুরু করেছে নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ। স্পেসএক্স-এর শক্তিশালী ফ্যালকন হেভি রকেটের মাধ্যমে এটি মহা
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।