
পৃথিবীর বয়স আনুমানিক ৪৫০ কোটি বছর। মহাজাগতিক সময়ের বিশালতায় মানুষের অস্তিত্ব মাত্র কয়েক লক্ষ বছরের, তাই পৃথিবীর এই সুদীর্ঘ আয়ু কল্পনা করাও কঠিন। প্রাচীনকালে সৃষ্টিতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে পৃথিবীর বয়স নিয়ে নানা ধারণা প্রচলিত থাকলেও আধুনিক বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় তা বদলে গেছে। সপ্তদশ শতাব্দীতে ডেনিশ বিজ্ঞানী নিকোলাস স্টেনো ‘ল অব সুপারপজিশন’ বা শিলাস্তরের বিন্যাস পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূতাত্ত্বিক সময়ের ধারণা দেন। পরবর্তীতে চার্লস লায়েল শিলাস্তরের পুরুত্ব পরিমাপ করে পৃথিবীর বয়স কয়েকশ মিলিয়ন বছর হতে পারে বলে মত দেন। তবে পদার্থবিজ্ঞানী লর্ড কেলভিনের হিসাব অনুযায়ী পৃথিবীর বয়স ছিল মাত্র কয়েক কোটি বছর, যা ভূতাত্ত্বিক ও বিবর্তনবাদের ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক ছিল। ১৮৯৬ সালে অঁরি বেকেরেলের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার এই বিরোধ নিরসনে মূল ভূমিকা পালন করে। বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন যে, তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ব্যবহার করে শিলাখণ্ডের বয়স নির্ণয় করা সম্ভব। অবশেষে ১৯৫০-এর দশকে বিজ্ঞানী ক্লেয়ার প্যাটারসন উল্কাপিণ্ড বিশ্লেষণের মাধ্যমে পৃথিবীর সঠিক বয়স ৪৫৫ কোটি বছর হিসেবে নির্ধারণ করেন। বিজ্ঞানের এই অভাবনীয় সাফল্য মহাজাগতিক রহস্য উন্মোচনে মানবজাতির অসামান্য এক অর্জন।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
প্রযুক্তিমহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ’। গত ৩০ আগস্ট, রবিবার ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেক
প্রযুক্তিমহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে যাত্রা শুরু করেছে নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ। স্পেসএক্স-এর শক্তিশালী ফ্যালকন হেভি রকেটের মাধ্যমে এটি মহা
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।