
দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যাপক বিস্তারের ফলে বিশ্বজুড়ে চাকরির বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বর্তমান কর্মক্ষেত্রের প্রায় ৪০ শতাংশ দক্ষতার চাহিদা সম্পূর্ণ বা আংশিক কমে যেতে পারে। এমন বাস্তবতায় কেবল প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির ওপর নির্ভর না করে তরুণদের নিয়মিত নতুন দক্ষতা অর্জনের মানসিকতা গড়ে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেসকা ফানেলি জানান, বর্তমানে নিয়োগদাতারা কর্মীদের এআই-সাক্ষরতা এবং তা ব্যবহারের সক্ষমতাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এআই কেবল সহায়কের ভূমিকা পালন করবে, এটি কোনো সমাধানকারী নয়। সিভি তৈরি বা ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এআই ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু তাতে প্রার্থীর নিজস্ব ব্যক্তিত্ব ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন থাকা জরুরি।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী স্নাতক শেষ করে চাকরির বাজারে প্রবেশ করলেও অভিজ্ঞতার অভাব ও দক্ষতার অমিলের কারণে অনেকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক মনে করেন, বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার হার ও মান বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবি। এছাড়া বিডিজবসের নির্বাহী পরিচালক ফাহিম মাশরুর শিক্ষাজীবন থেকেই শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতায় পারদর্শী করে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা তরুণদের পরামর্শ দিচ্ছেন, কেবল তথাকথিত 'স্বপ্নের চাকরি'র পেছনে হন্যে হয়ে না ছুটে বরং যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং বিশ্লেষণের মতো স্থানান্তরযোগ্য (transferable) দক্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিতে। সবশেষে, ক্যারিয়ার নিয়ে অতিরিক্ত চাপ না নিয়ে কর্মক্ষেত্রের পরিবর্তনের সাথে অভিযোজনক্ষমতা বজায় রাখাই দীর্ঘমেয়াদী সফলতার চাবিকাঠি।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
প্রযুক্তিমহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ’। গত ৩০ আগস্ট, রবিবার ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেক
প্রযুক্তিমহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে যাত্রা শুরু করেছে নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ। স্পেসএক্স-এর শক্তিশালী ফ্যালকন হেভি রকেটের মাধ্যমে এটি মহা
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।