
২০১৫ সালে বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জবানবন্দি দিয়েছেন সাক্ষী আলী আহম্মেদ। ঘটনার সময় তিনি উজিরপুর থানার সেকেন্ড অফিসার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। জবানবন্দিতে সাক্ষী জানান, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার ও জাসাস নেতা কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
সাক্ষী আলী আহম্মেদ দাবি করেন, ওই হত্যাকাণ্ডের আগে তৎকালীন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ উজিরপুর থানায় এসে ওসি নুরুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওসির নির্দেশে তিনি অভিযুক্ত এএসআই মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিনকে বিশেষ অভিযানের জন্য 'কমান্ড সার্টিফিকেট' (সিসি) দেন। তিনি শুনেছেন, ওই হত্যাকাণ্ডের পর পুরস্কার হিসেবে ওই দুই পুলিশ সদস্যকে ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। সাক্ষী আরও জানান, অভিযুক্ত এএসআইরা অত্যন্ত বেপরোয়া ছিলেন এবং প্রায়ই তৎকালীন এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে চলতেন। ঘটনার পর অস্বাভাবিক আচরণ করা এই দুই পুলিশ সদস্যকে ১০ থেকে ২৫ দিন পর্যন্ত ডিউটি থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই মামলার চার আসামির মধ্যে সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও সাবেক এসপি এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন, আর দুই এএসআই বর্তমানে কারাগারে আছেন।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।