
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল-নাহিয়ান ট্রাস্টে নিয়োগের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তৎকালীন সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের সরাসরি নির্দেশে কোনো প্রকার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষা বা বাছাই বোর্ড ছাড়াই আবদুল হাকিম নামের এক ব্যক্তিকে উপতত্ত্বাবধায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই পদে নিয়োগ পাওয়ার পর আবদুল হাকিম প্রভাব খাটিয়ে তাঁর স্ত্রীসহ পরিবারের অন্তত ছয়জন সদস্যকে ট্রাস্টের বিভিন্ন পদে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন।
ট্রাস্টের প্রবিধানমালা অনুযায়ী, যেকোনো পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আবেদন আহ্বান এবং বাছাই কমিটির সুপারিশ বাধ্যতামূলক। অথচ আবদুল হাকিম নিয়োগের ক্ষেত্রে এসব নিয়মনীতি তোয়াক্কা করেননি। তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক কে বি এম ওমর ফারুক চৌধুরী স্বীকার করেছেন যে, তৎকালীন মন্ত্রীর চাপে তিনি এই অবৈধ নিয়োগ দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। বর্তমানে নিয়োগপ্রাপ্ত আবদুল হাকিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এই নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২২ জুলাই লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্পন্ন হয়নি। জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার আশা করছেন তিনি। প্রতিবেদনে অনিয়মের সত্যতা প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।