
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানের বিষয়টি নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে সতর্ক আলোচনার তাগিদ দিয়েছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও কূটনীতিকরা। সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ‘ভয়েস ফর রিফর্ম’ আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, এই চুক্তিতে যোগ দিলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও সামরিক শিল্পের বিকাশে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, তবে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য ও কূটনৈতিক প্রস্তুতির ওপর জোর দেওয়া উচিত।
এফএসডিএস-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর বলেন, সম্মিলিত নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হওয়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এতে ভারতের প্রতিক্রিয়া এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলী মনে করেন, জনগণের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট না করে বা যথাযথ ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাজ্জাদ সিদ্দিকী চুক্তির পটভূমিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে, অধ্যাপক শাহাব এনাম খান জানান, চুক্তির অনুচ্ছেদ ৫-এ স্বয়ংক্রিয় সামরিক হস্তক্ষেপের বাধ্যবাধকতা নেই, যা কিছুটা স্বস্তিদায়ক। সভায় অংশগ্রহণকারীরা এটিকে বর্তমান সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।