
ধর্মীয় বিভাজন এবং উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে বরাবরই সোচ্চার বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমি ও তাঁর স্বামী, বিশিষ্ট গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার। ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে মূল্যায়নের কথা বলায় তাঁদের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে একাধিকবার উগ্রপন্থীদের রোষানলে পড়তে হয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাবানা আজমি জানিয়েছেন, সব ধর্মের উগ্রবাদীরাই তাঁদের আদর্শকে সহ্য করতে পারে না। তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে, এমনকি ফতোয়াও জারি করা হয়েছে। তবে এসব প্রতিকূলতা তাঁদের মানবিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।
শাবানা আজমির মতে, সমাজকে কেবল হিন্দু-মুসলিম বিভাজনে দেখা একটি ভুল দৃষ্টিভঙ্গি। তাঁর ভাষ্যমতে, প্রকৃত বিভাজন হলো উদারপন্থী ও উগ্রপন্থীদের মধ্যে। তিনি মনে করেন, একজন উদারপন্থী হিন্দু ও একজন উদারপন্থী মুসলমানের চিন্তাধারায় অনেক মিল থাকে, ঠিক যেমন উগ্রপন্থীদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। ভারতের বৈচিত্র্য ও সহাবস্থানই দেশটির মূল শক্তি বলে তিনি মনে করেন।
সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপট নিয়ে আক্ষেপ করে বলেন, অতীতে অভিনেতাদের ধর্মীয় পরিচয় দর্শকদের কাছে গৌণ ছিল। অমিতাভ বচ্চনের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, অতীতে ভিন্ন ধর্মের চরিত্রে অভিনয় করলে দর্শকরা তা স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতেন। কিন্তু বর্তমানে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কারণে পরিস্থিতি বদলেছে, যা সমাজের জন্য অশনিসংকেত। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, মানুষের পরিচয় হওয়া উচিত তার মূল্যবোধ ও মানবিক আচরণ দিয়ে, ধর্ম দিয়ে নয়।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
বিনোদনপ্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় ২০টি গান নতুন সংগীতায়োজনে প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ‘উত্তরাধিকার’ নামক একটি প্রকল্পের মাধ্যমে। গত ১৬ আগস্ট শিল
বিনোদনভিয়েতনামে চলমান ‘মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি সামানজার সাঈদ। প্রতিযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ‘বিউটি উইথ
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।