
অভাবের কষাঘাত আর জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে জয় করে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে চার অদম্য শিক্ষার্থী। রংপুরের শারমিন আক্তার, সিরাজগঞ্জের সুসমিতা রানী মাহাতো, নীলফামারীর দিপ্ত চন্দ্র রায় এবং কাশফিয়া নুরইন—প্রত্যেকেই প্রতিকূলতার মাঝে অসাধারণ মেধার স্বাক্ষর রেখেছে। তাদের প্রত্যেকেরই লক্ষ্য উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশায় মানুষের সেবা করা।
শারমিন আক্তার দিনমজুর বাবার অভাবের সংসারে থেকেও টিউশনি করে নিজের পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছে। সুসমিতা রানী মাহাতো পিতৃহারা হয়েও মায়ের অনুপ্রেরণায় অদম্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ইজিবাইক চালক বাবার সন্তান দিপ্ত চন্দ্র রায় খেয়ে না খেয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করেছে, আর কাশফিয়া নুরইন দর্জির দোকানে কাজ করেও পড়াশোনার প্রতি একাগ্রতা বজায় রেখেছে। তবে উজ্জ্বল সাফল্যের পরও এই মেধাবীদের পরিবারের সামনে এখন বড় শঙ্কা উচ্চশিক্ষার খরচ। পরিবারের সামর্থ্য না থাকায় মেধাবী এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের। বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতা পেলে এই অদম্য মেধাবীরা তাদের স্বপ্নের পথে আরও এগিয়ে যেতে পারবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।