
বাংলাদেশে এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে যেখানে দশম শ্রেণি থেকে সনদ পেতে ১০-১২ মাস সময় লাগে, সেখানে বাংলাদেশে এই প্রক্রিয়ায় লেগে যাচ্ছে প্রায় ২০ মাস। এই দীর্ঘসূত্রতা দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করছে, যা জাতীয় অর্থনীতি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের পথে একটি বড় বাধা। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় জানুয়ারি মাসে দশম শ্রেণিতে ক্লাস শুরুর পর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পৌঁছাতে একজন শিক্ষার্থীর যে সময় ব্যয় হয়, তা উন্নত বিশ্বের তুলনায় অনেক বেশি। শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও, তা এখনো একটি সুসমন্বিত পরিকল্পনার রূপ পায়নি। ডিসেম্বর মাসে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাবটি বৈশ্বিক মানদণ্ডে বেমানান। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এসএসসি পরীক্ষা অক্টোবরে নিয়ে ডিসেম্বরে ফলাফল প্রকাশ, এরপর এইচএসসি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়াকে একটি ছন্দময় ক্যালেন্ডারের আওতায় আনা জরুরি। এছাড়া সেশনজট ও শিক্ষায় বিরাজমান জটিলতা দূর করতে অস্ট্রেলিয়াসহ উন্নত বিশ্বের পরীক্ষিত মডেল অনুসরণ করা যেতে পারে। ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে দক্ষ ও সৃজনশীল তরুণ জনশক্তি তৈরি করতে হলে শিক্ষাপঞ্জির এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।