
স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও বাংলাদেশে বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা এখনো এক অধরা স্বপ্ন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিচার বিভাগ সংস্কারের যে জোরালো দাবি উঠেছিল, তা বর্তমানে রাজনৈতিক সুবিধাবাদিতার কারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ১৯৭২ সালের সংবিধানে বিচার বিভাগের ওপর সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকলেও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে সেই ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের হাতে ন্যস্ত করা হয়। বিশেষ করে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বিচারিক স্বাধীনতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হাইকোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে ১১৬ অনুচ্ছেদের বিতর্কিত সংশোধনীগুলো বাতিল করে অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে একটি পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার সেই অনুযায়ী সচিবালয় গঠন করলেও, বর্তমান সরকার ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তা বিলুপ্ত করে। এই পদক্ষেপটি সরকারের পূর্বঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি এবং নির্বাচনী ইশতেহারের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
বর্তমানে বিষয়টি আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। সরকারের এহেন বিপরীতমুখী অবস্থান জনমনে গভীর হতাশার সৃষ্টি করেছে। দেশের সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ এখন আপিল বিভাগের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়ার মতে, আপিল বিভাগ যদি হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে, তবেই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত হবে এবং এটি বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
জাতীয়জুলাই মাসের তুলনায় আগস্ট মাসে দেশে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনা ৬.৮ শতাংশ বেড়েছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুয
জাতীয়রাজধানী ঢাকায় চলন্ত রিকশা ও অটোরিকশায় ব্যাগ টানা ছিনতাইয়ের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। গত ছয় মাসে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে তিন নারীর মৃত্যু হয়েছে। ব্যস্ততম সড়কগুল
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।