
১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট ফ্রান্সের প্যারিসে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ব্রিটেনের ‘জনতার রাজকুমারী’ প্রিন্সেস ডায়ানা। আজ তাঁর মৃত্যুর ২৯ বছর পূর্ণ হলো। ১৯৯৭ সালের সেই ভয়াবহ রাতের ঘটনা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষকে শোকস্তব্ধ করেছিল। ঘটনার তিন দশক পেরিয়ে গেলেও ডায়ানার বর্ণিল জীবন ও অকাল মৃত্যু ঘিরে রহস্য এবং বিভিন্ন ষড়যন্ত্রতত্ত্বের আলোচনা আজও থামেনি।
১৯৬১ সালে অভিজাত স্পেন্সার পরিবারে জন্ম নেওয়া ডায়ানা শৈশব থেকেই ব্যক্তিগত জীবনে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠেন। ১৯৮১ সালে ব্রিটিশ যুবরাজ চার্লসের সঙ্গে তাঁর রাজকীয় বিয়ে সারা বিশ্বের নজর কাড়ে। প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি—এই দুই সন্তানের জননী ডায়ানা তাঁর মানবিক কর্মকাণ্ড, ফ্যাশন সচেতনতা এবং সমাজসেবামূলক কাজের জন্য আন্তর্জাতিক আইকনে পরিণত হয়েছিলেন।
তবে রাজপরিবারের কঠোর প্রথা ও চার্লসের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের তিক্ততা শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদের দিকে গড়ায়। ১৯৯৬ সালে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। জীবনের শেষ দিনগুলোতে ডায়ানা পাপারাজ্জিদের নিরন্তর পিছু ধাওয়ার শিকার হয়েছিলেন। ১৯৯৭ সালের সেই রাতে প্যারিসের পঁ দ্য ল’আলমা টানেলে গাড়ি দুর্ঘটনায় তিনি ও তাঁর সঙ্গী দোদি আল-ফায়েদ নিহত হন। যদিও পরবর্তী তদন্তে এই মৃত্যুকে দুর্ঘটনা হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়েছে, তবুও এর নেপথ্য কারণ নিয়ে জনমনে বিভিন্ন সময় নানা প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। শোকের এই দিনে বিশ্ববাসী আজও স্মরণ করে সেই সময়ের প্রিয় রাজকুমারীকে, যিনি মানুষের হৃদয়ে আজও সমান জনপ্রিয়।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
আন্তর্জাতিক১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে পোল্যান্ডে জার্মান আক্রমণের মধ্য দিয়ে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী ও নৃশংস অধ্যায় ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ শুরু হয়। হিটল
আন্তর্জাতিকউত্তর সাইপ্রাসের উপকূলে ২৬৭ জন যাত্রী নিয়ে একটি ফেরি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সময় ফেরি থেকে পানিতে পড়ে যাওয়া নিজের দুই সন্তানকে চোখের সাম
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।