
রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ঘটনার আট দিন পর গত রোববার রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে পুলিশ তাঁদের মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করে। সোমবার দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এই পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পায় মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
রংপুর মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, নমুনা সংগ্রহের সময় অতিক্রান্ত হওয়ায় পরীক্ষায় মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি। তাঁর ভাষ্যমতে, ঘটনার দু-তিন দিনের মধ্যে নমুনা পরীক্ষা করলে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। ডিবির এই কর্মকর্তা আরও জানান, বর্তমানে শুধু মূত্র পরীক্ষার সুযোগ থাকায় সেটিই করা হয়েছে, রক্ত বা চুল পরীক্ষার সুযোগ ছিল না।
উল্লেখ্য, এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, হত্যার ঘটনার সময় আসামিরা মাদকাসক্ত ছিলেন এবং আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও তাঁরা ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেছিলেন। ডোপ টেস্টের এই ফলাফল পুলিশের আগের দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপপুলিশ কমিশনার বলেন, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলমান রয়েছে এবং যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ২২ আগস্ট রংপুরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।