
তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের কবলে পড়ে দেশের উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জ্বালানি সংকটের কারণে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন না হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং চলছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে জরুরি ও জীবনরক্ষাকারী সেবায়। চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, পাবনা ও নীলফামারীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের হাসপাতালে নেবুলাইজার, এক্স-রে, ইসিজি ও প্যাথলজি পরীক্ষা প্রায়ই বন্ধ থাকছে। বিশেষ করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের নেবুলাইজার দিতে না পারায় তাদের শ্বাসকষ্ট তীব্রতর হচ্ছে। অনেক হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের বরাদ্দ না থাকায় তা নিয়মিত চালানো সম্ভব হচ্ছে না। নীলফামারী ও রাজশাহীর মতো স্থানে অস্ত্রোপচার চলাকালীন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে চিকিৎসক ও রোগীদের চরম আতঙ্কের মুখে পড়তে হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে মুঠোফোনের আলোয় অথবা ঝুঁকি নিয়ে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং পাওয়ার গ্রিড পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ঘাটতি বেড়েই চলেছে, যার ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো এখন ধুঁকছে।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।