
১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘খলনায়ক’ বলিউড ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত সিনেমা। মুক্তির আগে থেকেই ছবিটি নানা জটিলতায় আচ্ছন্ন ছিল। বিশেষ করে সিনেমার গান ‘চোলি কে পিছে ক্যা হ্যায়’ নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন গানটিকে অশ্লীল ও নারী অবমাননাকর আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়, তবে শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ে শিল্পের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন থাকে এবং সিনেমাটি মুক্তির পথ সুগম হয়।
ছবির বিপত্তির এখানেই শেষ ছিল না। মুম্বাই বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রধান অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত গ্রেপ্তার হলে ছবিটি বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়ে। বাস্তবে পুলিশের হেফাজতে থাকা সঞ্জয় দত্তের পর্দায় ‘বল্লু’ নামের পলাতক অপরাধীর চরিত্রে অভিনয় দর্শকদের মধ্যে অদ্ভুত এক কৌতূহল তৈরি করেছিল। সেই সময়ে নির্মাতা সুভাষ ঘাই আন্ডারওয়ার্ল্ড থেকেও চাঁদার হুমকির শিকার হয়েছিলেন। তবে তৎকালীন শিবসেনা নেতা বাল ঠাকরের নীরব সমর্থন এবং সিনেমার শক্তিশালী নির্মাণ শৈলী বিতর্ক ছাপিয়ে একে বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য এনে দেয়। মাধুরী দীক্ষিতের অনবদ্য নাচ ও অভিনয় এবং সঞ্জয় দত্তের জীবনের অন্যতম সেরা এই চরিত্রটি সিনেমাটিকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। মুক্তির তিন দশক পরেও ‘খলনায়ক’ শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং তৎকালীন ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার এক দলিল হয়ে টিকে আছে।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
বিনোদনভিয়েতনামে চলমান ‘মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি সামানজার সাঈদ। প্রতিযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ‘বিউটি উইথ
বিনোদনধর্মীয় বিভাজন এবং উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে বরাবরই সোচ্চার বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমি ও তাঁর স্বামী, বিশিষ্ট গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার। ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।