
শিশুর কোমল মনে কোরআনের শিক্ষা প্রদানের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। শৈশবের নিষ্পাপ মনে কোরআনকে কোনো কঠোর নিয়ম বা শাস্তির ভয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা উচিত নয়, বরং একে হৃদয়ের খোরাক হিসেবে উপস্থাপন করাই শ্রেয়। জোরপূর্বক বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কোরআন শেখাতে গেলে শিশুর মনে দীর্ঘমেয়াদী বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।
ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গিতে শিক্ষাদান হওয়া উচিত সহজ ও আনন্দদায়ক। মহানবী (সা.) উম্মতকে মানুষের জন্য সহজ পথ বেছে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই শিশুর সামনে আল্লাহর দয়া, নবীজির স্নেহশীল জীবনচরিত এবং জান্নাতের সুন্দর বর্ণনার মাধ্যমে কোরআনের প্রতি অনুরাগ তৈরি করতে হবে।
শিশুর কোরআন শিক্ষাকে আনন্দময় ও কার্যকর করতে তিনটি মৌলিক বিষয়ের দিকে নজর দেওয়া জরুরি:
১. ধারাবাহিকতা: দীর্ঘ সময় ধরে পড়ানোর চেয়ে প্রতিদিন মাত্র ১০-১৫ মিনিট হাসিমুখে পাঠ করা অধিক কার্যকর। নিয়মিত অল্প পাঠ শিশুর স্মৃতিতে স্থায়ী হয়।
২. ইতিবাচক পরিবেশ: কোরআন পড়ার সময়টি যেন শিশুর জন্য ভয়ের কারণ না হয়। ধমক বা শারীরিক শাসনের বদলে ধৈর্য ও ভালোবাসার চর্চা করতে হবে, কারণ কোমলতা যেকোনো কাজকে সুন্দর করে তোলে।
৩. শিক্ষকের সান্নিধ্য: প্রতিটি শিশুর মেধা ও শেখার গতি ভিন্ন। একজন মমতাময় শিক্ষক শিশুর মনস্তত্ত্ব বুঝে তাকে এগিয়ে নিতে পারেন।
সর্বোপরি, পরিবারে যদি কোরআনি জীবনাচরণের প্রতিফলন ঘটে, তবেই শিশু স্বতঃস্ফূর্তভাবে কোরআনকে ভালোবাসতে শিখবে। বাবা-মায়ের আচরণ এবং প্রতিদিনের ছোট ছোট প্রচেষ্টাই শিশুকে একজন প্রকৃত কোরআনপ্রেমী হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
TANGENT editorial desk — independent news and analysis.
ফিচারভোজনরসিকদের জন্য বিন্নি চালের তৈরি খাবার বেশ জনপ্রিয়। বাড়িতে খুব সহজে সুস্বাদু বিন্নি চালের ভুনা খিচুড়ি তৈরির একটি সহজ রেসিপি নিচে দেওয়া হলো। এই খাবারটি তৈরির জ
ফিচারবিকেলের নাস্তায় ভিন্নধর্মী ও সুস্বাদু খাবারের খোঁজ করলে তৈরি করতে পারেন বিন্নি চালের চপ। এটি তৈরি করা যেমন সহজ, খেতেও তেমন মজাদার। উপকরণ: রান্নার জন্য প্রয়োজন
এলডিসি উত্তরণ আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও বটে। আমাদের নীতিগত সংস্কার দরকার।
নিবন্ধটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশ্লেষণধর্মী। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখবে আশা করি।